বার্গার খেতে কে না ভালবাসে! বিশেষত টিনএজাররা বার্গার বলতে পাগল! বার্গার বানের ভিতরে চিকেন আর চিজের মেলবন্ধন, সঙ্গে লেটুস পাতা, পেঁয়াজ, টমেটোর স্লাইস। উফফ!! এক কামড়ে যেন স্বর্গ। আট হোক বা আশি, বার্গার খাওয়ার কোনও বয়স নেই। বাড়ির ছোট থেকে মধ্য বয়স্কদের মুখে হাসি ফোটাতে একটা বার্গারই যথেষ্ট। জন্মদিনের পার্টি হোক বা গেট টুগেদার, বার্গার জায়গা করে নিয়েছে সর্বত্র। আন্তর্জাতিক ফুড চেইনগুলোর হাত ধরে মূলত এদেশে এসেছে বার্গার। এখন শহরে ছেয়ে গিয়েছে বার্গারের দোকান। সময় পেলেই আমরা ঢুঁ মারি সেইসব দোকানগুলোতে। কিন্তু বাইরের খাবার বেশি খাওয়া ভালো নয়। বাচ্চাকে তো রোজ দেওয়াও যায় না। বিশেষত করোনার সময়ে বাইরের খাবার খাওয়া এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। তবে চিন্তা নেই, এবার আর বার্গার খেতে দোকানে যেতে হবে না! বাড়িতেই সহজ উপায়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন চিকেন চিজ বার্গার। দেখে নিন রেসিপিটি।

উপকরণ

চিকেন কিমা ২০০ গ্রাম

চিজ স্লাইস ৬টি

১টি শসা

টমেটো ২টি

পেঁয়াজ ২ টি

রসুন কুচি ১ চা চামচ

আদাকুচি ১ চা চামচ

৪টি বার্গার বান

লেটুস পাতা ৪ পিস

ভেজিটেবল তেল ৪ টেবিল চামচ

গোলমরিচ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ

নুন স্বাদমতো

মাখন সামান্য

প্রণালী

প্রথমে একটা প্যানে কিছুটা তেল দিন। তেল গরম করে আদা, রসুন কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। তারপর চিকেন কিমা দিয়ে দিন। ৫-৭ মিনিট ধরে নাড়ুন। তারপর চিকেনে স্বাদমতো নুন, সালসা সস মিশিয়ে আরও ২ মিনিট রান্না করুন। চিকেন কিমা রান্না করতে বেশি সময় লাগে না। চিকেন নরম হয়ে গেলে ৩-৪টি চিজের টুকরো দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। চিকেন রেডি, এবার বার্গার বনাতে হবে। একটা প্যানে মাখন দিয়ে বার্গার বানটি মাখনে ভাজুন। ভাজা বানের একটি টুকরোর মধ্যে প্রথমে লেটুস পাতা, তার ওপর শসা, টমেটো ও পেঁয়াজের টুকরো দিয়ে সাজান। এবার একটা স্লাইস চিজ দিন। আপনি চাইলে ডাবল চিজ স্লাইসও দিতে পারেন। চিজের ওপরে রান্না করা চিকেন দিয়ে দিন। তার ওপর আবার শসা, টমেটো ও পেঁয়াজের টুকরো দিয়ে শেষে বানের আরেকটি অংশ ঢেকে নিলেই তৈরি সুস্বাদু চিকেন চিজ বার্গার। সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন।